আমরা শুধু একটি বেটিং সাইট নই। r1111 হলো লক্ষাধিক বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর বিশ্বাস, আনন্দ ও নিরাপদ বিনোদনের একটি ঠিকানা। ২০২০ সাল থেকে আমরা প্রতিদিন সেই বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করে আসছি।
r1111 তৈরি হয়েছিল একটি সরল লক্ষ্য নিয়ে — বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও মজাদার অনলাইন বেটিং পৌঁছে দেওয়া।
বাংলাদেশের বেটিং বাজারে একটি বিশ্বস্ত ও দায়িত্বশীল প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রতিটি ব্যবহারকারী নিরাপদ বোধ করেন এবং তাদের প্রতিটি লেনদেন স্বচ্ছ থাকে।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে উদ্ভাবনী বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক অভিজ্ঞতার মিলনে একটি অনন্য পরিবেশ তৈরি হয়। r1111 চায় প্রতিটি বেটার যেন সেরাটা পায়।
সততা, স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা — এই তিনটি নীতিতে আমরা প্রতিদিন কাজ করি। ব্যবহারকারীর আস্থাই আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ এবং সেটি রক্ষা করাই আমাদের প্রথম কাজ।
হাজারো বেটিং সাইটের ভিড়ে r1111 কেন আলাদা — এই ৬টি কারণই সেটা বলে দেয়।
r1111 আন্তর্জাতিক গেমিং কর্তৃপক্ষের লাইসেন্সের অধীনে পরিচালিত। প্রতিটি ড্র ও বেটিং ফলাফল নিরপেক্ষ তৃতীয় পক্ষ দ্বারা যাচাই করা হয়।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ ইন্টারনেট ব্যবহার হয় মোবাইলে। তাই r1111 শুরু থেকেই মোবাইল ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করা হয়েছে।
বিকাশ, নগদ, রকেট — বাংলাদেশের সব জনপ্রিয় পেমেন্ট পদ্ধতি সমর্থিত। ডিপোজিট তাৎক্ষণিক, উত্তোলন সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে।
আমাদের গ্রাহক সেবা দল পুরোপুরি বাংলায় কথা বলে। রাত ২টায়ও সমস্যা হলে লাইভ চ্যাটে দ্রুত সমাধান পাবেন।
r1111-এ ক্রিকেট, ফুটবলসহ সব স্পোর্টসে বাজারের সেরা অডস পাবেন। বেশি বাজি ধরুন, বেশি জিতুন।
নতুন সদস্য থেকে হাই রোলার — সবার জন্য আলাদা বোনাস। ওয়েলকাম অফার, রিলোড বোনাস ও ক্যাশব্যাক প্রতি সপ্তাহে আপডেট হয়।
২০২০ সালে একদল তরুণ প্রযুক্তি উদ্যোক্তা একটি সমস্যা লক্ষ্য করেছিলেন। বাংলাদেশের কোটি কোটি ক্রিকেটপ্রেমী অনলাইনে বেটিং করতে গিয়ে অনির্ভরযোগ্য, অস্বচ্ছ ও ধীর গতির প্ল্যাটফর্মের মুখোমুখি হচ্ছেন। পেমেন্ট আটকে যাচ্ছে, বাংলা সাপোর্ট নেই, মোবাইলে ঠিকমতো কাজ করে না।
সেই সমস্যার সমাধান হিসেবেই জন্ম নিয়েছে r1111। আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি বেটার সেরা অভিজ্ঞতার যোগ্য — তা তিনি ঢাকায় থাকুন বা সিলেটের চা-বাগানের পাশে।
"আমরা চেয়েছিলাম এমন একটি জায়গা বানাতে যেখানে একজন সাধারণ বাংলাদেশি নিশ্চিন্তে বেট করতে পারবেন, জিতলে দ্রুত টাকা তুলতে পারবেন।"
— r1111 প্রতিষ্ঠাতা দল
একটি ছোট দল নিয়ে প্রথম বেটা ভার্সন লঞ্চ। প্রথম মাসেই ১০,০০০ নিবন্ধন। বিকাশ ও নগদ ইন্টিগ্রেশন সম্পন্ন।
ক্রিকেট, ফুটবল ও কাবাডির জন্য বিশেষ মার্কেট যোগ করা হয়। লাইভ বেটিং ফিচার চালু হয় এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
r1111 লটারি প্ল্যাটফর্ম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। মেগা জ্যাকপট ড্রয়ে প্রথম বিজয়ী ৳৫০ লাখ পুরস্কার পান। সদস্য সংখ্যা ১৫ লাখে পৌঁছায়।
বড় বেটারদের জন্য এক্সক্লুসিভ হাই রোলার প্রোগ্রাম চালু হয়। ডেডিকেটেড ম্যানেজার সার্ভিস, উচ্চতর সীমা ও বিশেষ ক্যাশব্যাক যোগ করা হয়।
r1111 এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল বেটিং প্ল্যাটফর্ম। নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি, উন্নত নিরাপত্তা এবং আরও বেশি গেম বিভাগ যোগ করা অব্যাহত রয়েছে।
একটি বৈচিত্র্যময়, অভিজ্ঞ দল প্রতিদিন r1111-কে আরও ভালো করতে কাজ করছে।
১০+ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের ডিজিটাল বেটিং বাজারে r1111-কে শীর্ষে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন নিয়ে কাজ করছেন।
সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট হিসেবে r1111-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন। নিরাপত্তা ও গতির প্রতি তার আলাদা মনোযোগ।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা ও পণ্য উন্নয়নে বিশেষজ্ঞ। r1111-এর মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইনের মূল কারিগর।
৫০০+ সদস্যের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট নিশ্চিত করার পেছনে তার অক্লান্ত পরিশ্রম।
বাংলাদেশে অনলাইন বেটিংয়ের জগৎটা খুব দ্রুত বদলে গেছে গত কয়েক বছরে। একসময় মানুষ ভরসা করে বেট করার জায়গা খুঁজে পেত না। পেমেন্ট গেলে ফিরত না, সাপোর্টে বাংলায় কথা বলার উপায় ছিল না, আর ফলাফলে কোনো স্বচ্ছতাও থাকত না। r1111 এসেছে ঠিক এই ফাঁকটা পূরণ করতে।
আমাদের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার সময় সবচেয়ে আগে ভেবেছিলাম একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর কথা। যিনি হয়তো স্মার্টফোনে বিকাশ দিয়ে টাকা পাঠান, যিনি বাংলায় কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, যার ইন্টারনেট সংযোগ হয়তো সবসময় দ্রুত নয়। r1111-এর প্রতিটি ফিচার এই বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি।
r1111-এ প্রতিটি লেনদেন SSL এনক্রিপশনের মাধ্যমে সুরক্ষিত। আমাদের সার্ভার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রোটোকল মেনে চলে। প্রতিটি বেটিং ফলাফল ও লটারি ড্র সম্পূর্ণ র্যান্ডম এবং তৃতীয় পক্ষ দ্বারা অডিট করা। ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
r1111-এ ডিপোজিট ও উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া বাংলাদেশের সব প্রধান পেমেন্ট গেটওয়ের সাথে সমন্বিত। বিকাশ, নগদ ও রকেটের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে ডিপোজিট করা যায়। জয়ের অর্থ দ্রুত উত্তোলনের নিশ্চয়তাই হলো আমাদের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতি — কারণ আমরা জানি, জেতার পরে টাকা পাওয়াটাই মূল আনন্দ।
r1111 বিশ্বাস করে বেটিং হওয়া উচিত বিনোদনের একটি মাধ্যম, আয়ের উৎস নয়। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট সীমা নির্ধারণ, স্ব-বর্জন ও কুলিং-অফ পিরিয়ডের সুবিধা দেওয়া হয়। আমাদের সাপোর্ট টিম সবসময় দায়িত্বশীল গেমিং বিষয়ে পরামর্শ দিতে প্রস্তুত।
r1111 শুধু একটি বেটিং প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি সম্প্রদায়। লক্ষাধিক বাংলাদেশি বেটার প্রতিদিন এখানে মিলিত হন। ক্রিকেট সিজনে লাইভ ম্যাচের উত্তেজনা, বিশ্বকাপের বিশেষ প্রোমোশন, ঈদ ও পহেলা বৈশাখে মেগা অফার — এই উৎসবগুলো আমাদের সবার। r1111-এর সাথে থাকুন, একসাথে জিতুন।
আমরা প্রতিনিয়ত উন্নতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। নতুন গেম বিভাগ, উন্নত পেমেন্ট অপশন, আরও দ্রুত সাপোর্ট — r1111 কখনো থামে না। কারণ আমাদের ব্যবহারকারীরা সেরাটার যোগ্য, আর সেটা নিশ্চিত করাই আমাদের কাজ।